Home » শিক্ষাঙ্গন » ইবিতে আওয়ামীপন্থি শিক্ষকদের রুদ্ধদার বৈঠক, প্রক্টরের পদত্যাগ দাবি
iu_58085_1505576350

ইবিতে আওয়ামীপন্থি শিক্ষকদের রুদ্ধদার বৈঠক, প্রক্টরের পদত্যাগ দাবি

ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ে আওয়ামীপন্থি শিক্ষকদের সঙ্গে রুদ্ধদার বৈঠক করেছে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ।

বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসি প্রফেসর ড. রাশিদ আসকারীর আহ্বানে এ বৈঠক হয়।

বৈঠকে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর ইলেকট্রনিক্স অ্যান্ড ইলেকট্রিকাল ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের অধ্যাপক ড. মাহবুবর রহমানের পদত্যাগের দাবি উঠেছে বলে বৈঠক সূত্রে জানা গেছে।

ভিসি অফিস সূত্র জানায়, শনিবার বিকাল পৌনে ৩টা থেকে সন্ধ্যা পৌনে ৬টা পর্যন্ত ভিসির কার্যালয়ে বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। মিটিংয়ে শিক্ষক সমিতির নির্বাচন, প্রশাসনিক পদে রদবদলসহ বিভিন্ন ইস্যু নিয়ে আলোচনা হয়।

ভিসি প্রফেসর ড. রাশিদ আসকারীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত বৈঠকে প্রো-ভিসি প্রফেসর ড. শাহিনুর রহমান, ট্রেজারার প্রফেসর ড. সেলিম তোহা উপস্থিত ছিলেন।

এছাড়া অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন বঙ্গবন্ধু পরিষদের আহ্বায়ক প্রফেসর ড. মাহবুবুর রহমান, যুগ্ম আহ্বায়ক প্রফেসর ড. মামুনর রহমান, বঙ্গবন্ধু পরিষদের অপর গ্রুপের সভাপতি প্রফেসর ড. জাকারিয়া রহমান, সাধারণ সম্পাদক প্রফেসর ড. মিজানুর রহমান।

উপস্থিত ছিলেন প্রগতিশীল শিক্ষক সংগঠনের একাংশের সভাপতি প্রফেসর ড. মাহবুবুল আরফিন, সাধারণ সম্পাদক প্রফেসর ড. আনোয়ার হোসেন।

অপর অংশ থেকে উপস্থিত ছিলেন শাপলা ফোরামের জ্যেষ্ঠ সদস্য প্রফেসর ড. জাহাঙ্গীর হোসেন।

দলীয় সূত্রে জানা যায়, বৈঠকে শুরুতে বিশ্ববিদ্যালয়ের অগ্রগতি এবং প্রতিবন্ধকতা নিয়ে আলোচনা হয়।

বৈঠকে বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক দুই ভিসি প্রফেসর ড. এম আলাউদ্দিন ও প্রফেসর ড. আবদুল হাকিম সরকার এবং বর্তমান ভিসি প্রফেসর ড. রাশিদ আসকারীর সময়ে কারা, কীভাবে প্রশাসনিক সুযোগ-সুবিধা নিয়েছেন- তা নিয়ে আলোচনা হয়।

আলোচনার এক পর্যায়ে ভিসিকে উদ্দেশ করে আওয়ামীপন্থী এক শিক্ষক নেতা বলেন, ক্যাম্পাসে অনেকেই মনে করে, ভিসি আপনি না অন্য কেউ।

সেখানে তারা প্রক্টরের দিকে আঙুল তোলেন। এর কিছু পরে আলোচনায় অংশ নেন আওয়ামীপন্থি অন্য শিক্ষকরাও।

তারা বলেছেন, প্রক্টর পদসহ বর্তমানে প্রশাসনিক যে সেটআপ রয়েছে, সেটি আবদুল হাকিম সরকারের সময়কার। একই ব্যক্তি বার বার পদে থেকে সুযোগ-সুবিধা নিচ্ছে, যা নিয়ে নিজেদের মধ্যে গ্রুপিং সৃষ্টি হচ্ছে। এ সময় নেতারা প্রক্টরের নাম উচ্চারণ না করে একসুরে তার পদত্যাগ দাবি করেন।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে ট্রেজারার প্রফেসর ড. সেলিম তোহা বলেন, ‘বিশ্ববিদ্যালয়ের উন্নতি, অগ্রগতি এবং ত্রুটি নিয়ে আলোচনা হয়েছে। সভায় শিক্ষকদের সহযোগিতা চাওয়া হয়েছে।’

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

*

x

Check Also

1505586888

ব্র্যাকের শিক্ষার্থীদের নদী জাদুঘর প্রকল্প

Sharing is caring!FacebookTwitterGoogle+Pinterestপ্রবহমান নদী প্রকৃতির গল্প বলে, মানুষের গল্প বলে, ভূগোলের গল্প বলে; কিন্তু উন্নয়নের ...