Home » শীর্ষবার্তা » হাঁকডাক দিয়ে ইলিশ বিক্রি
ee

হাঁকডাক দিয়ে ইলিশ বিক্রি

পটুয়াখালীর কলাপাড়া উপজেলায় রাবনাবাদ নদ ও বঙ্গোপসাগরে জেলেদের জালে প্রচুর ইলিশ ধরা পড়ছে। এতে জেলেরা আনন্দিত। মৎস্য ব্যবসায়ীও খুশি।

উপজেলার কুয়াকাটা, মহীপুর, আলীপুর, খালগোড়া, ঢোস, চাড়িপাড়া, গঙ্গামতি, বুড়োজালিয়া, দেবপুরের আড়তগুলোতে বিপুল পরিমাণ ইলিশ, দামও কম। পাইকার ও ক্রেতাদের ভিড়ে আড়তগুলো সরগরম। পৌর শহরের এতিমখানা মোড় ও মুক্তিযোদ্ধা সংসদের সামনের সন্ধ্যা বাজারে হাঁকডাক দিয়ে ইলিশ বিক্রি করতে দেখা যায়।

আড়তদারদের সূত্রে জানা গেছে, এবার দেড়-দুই কেজি, এমনকি আড়াই কেজি ওজনের ইলিশও ধরা পড়ছে। দেড়-আড়াই কেজি ওজনের ১ মণ ইলিশ বিক্রি হচ্ছে ৩৮-৪০ হাজার টাকায়। প্রতিটি ৮০০-১০০০ গ্রাম ওজনের ১ মণ ইলিশের দাম পড়ছে ৩২ হাজার টাকা। আর ৬০০-৮০০ গ্রাম ওজনের ইলিশ মণপ্রতি ১৮ হাজার টাকা। ৫০০ গ্রাম বা এর কম ওজনের প্রতি মণ ইলিশের দাম ১৩ হাজার টাকা। এ মাছ গত বছরের তুলনায় এবার মণপ্রতি ২-৩ হাজার টাকা কমে বিক্রি হচ্ছে।

মহীপুরের গাজী ফিশের মালিক মজনু গাজী বলেন, ‘দুই দিনে আমার আড়তে প্রায় ২০০ মণ ইলিশ এসেছে। ২২ লাখ টাকার ইলিশ বিক্রি হয়েছে।’

 আলীপুর মৎস্যবন্দরের খান ফিশের মালিক আবদুর রহিম খান বলেন, চট্টগ্রামের জেলেদের লাল জালে এবার ইলিশ বেশি ধরা পড়ছে। একটু গভীর সমুদ্রে লাল জাল ফেলা হয়। সাগর থেকে প্রতিদিন এ ধরনের লাল জালের ট্রলার ১০০-১৫০ মণ ইলিশ নিয়ে উপকূলে ফিরে আসছে।

পটুয়াখালীর কলাপাড়া উপজেলায় রাবনাবাদ নদ ও বঙ্গোপসাগরে জেলেদের জালে প্রচুর ইলিশ ধরা পড়ছে। এতে জেলেরা আনন্দিত। মৎস্য ব্যবসায়ীও খুশি।

উপজেলার কুয়াকাটা, মহীপুর, আলীপুর, খালগোড়া, ঢোস, চাড়িপাড়া, গঙ্গামতি, বুড়োজালিয়া, দেবপুরের আড়তগুলোতে বিপুল পরিমাণ ইলিশ, দামও কম। পাইকার ও ক্রেতাদের ভিড়ে আড়তগুলো সরগরম। পৌর শহরের এতিমখানা মোড় ও মুক্তিযোদ্ধা সংসদের সামনের সন্ধ্যা বাজারে হাঁকডাক দিয়ে ইলিশ বিক্রি করতে দেখা যায়।

আড়তদারদের সূত্রে জানা গেছে, এবার দেড়-দুই কেজি, এমনকি আড়াই কেজি ওজনের ইলিশও ধরা পড়ছে। দেড়-আড়াই কেজি ওজনের ১ মণ ইলিশ বিক্রি হচ্ছে ৩৮-৪০ হাজার টাকায়। প্রতিটি ৮০০-১০০০ গ্রাম ওজনের ১ মণ ইলিশের দাম পড়ছে ৩২ হাজার টাকা। আর ৬০০-৮০০ গ্রাম ওজনের ইলিশ মণপ্রতি ১৮ হাজার টাকা। ৫০০ গ্রাম বা এর কম ওজনের প্রতি মণ ইলিশের দাম ১৩ হাজার টাকা। এ মাছ গত বছরের তুলনায় এবার মণপ্রতি ২-৩ হাজার টাকা কমে বিক্রি হচ্ছে।

মহীপুরের গাজী ফিশের মালিক মজনু গাজী বলেন, ‘দুই দিনে আমার আড়তে প্রায় ২০০ মণ ইলিশ এসেছে। ২২ লাখ টাকার ইলিশ বিক্রি হয়েছে।’

 আলীপুর মৎস্যবন্দরের খান ফিশের মালিক আবদুর রহিম খান বলেন, চট্টগ্রামের জেলেদের লাল জালে এবার ইলিশ বেশি ধরা পড়ছে। একটু গভীর সমুদ্রে লাল জাল ফেলা হয়। সাগর থেকে প্রতিদিন এ ধরনের লাল জালের ট্রলার ১০০-১৫০ মণ ইলিশ নিয়ে উপকূলে ফিরে আসছে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

*

x

Check Also

bb

রোহিঙ্গা: সমাধান কোথায়?

Sharing is caring!FacebookTwitterGoogle+Pinterestঠিক দুই বছর আগে, সেপ্টেম্বর ২০১৫-তে সিরিয়ার গৃহযুদ্ধ থেকে পালিয়ে বাঁচার চেষ্টা করেছিল ...